Sunday, 9 April 2017

Root Canal চিকিৎসা কি জেনে নিন


♦♣রুট ক্যানেল কি ও কেন করাবেন?♦♣
দাঁতে প্রচন্ড ব্যথা কিংবা আঘাতে তা ভেঙে গেছে। আবার হয়তো দাঁতে বড় এক ক্ষত হয়েছে, যেখানে খাদ্য জমলেই খুব ব্যথা হয়। চিকিৎসক দেখে বললেন, ‘আপনার তো রুট ক্যানেল করতে হবে।’ ঘাবড়ে গেলেন খুব? ভাবলেন রুট ক্যানেল, (দাঁতের মাড়ি বা দন্তমূলের চিকিৎসা) সে তো বিরাট ব্যাপার! সত্যি হলো, রুট ক্যানেল ভীতিকর কোনো চিকিৎসাব্যবস্থা নয়। বরং খুব সাধারণ; হরহামেশাই হচ্ছে হাসপাতালে কিংবা ব্যক্তিগত চেম্বারে। জেনে নেওয়া যাক কেমন করে হয় রুট ক্যানেল।
যখন দাঁতের সংক্রমণ দাঁতের ভেতরের রক্তনালি, স্নায়ু, কিংবা টিস্যুকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে, তখন সাধারণত রুট ক্যানেলের দরকার হয়।
কখনো আবার সংক্রমণ ছাড়া আঘাতজনিত কারণেও দাঁতের শিকড় কিংবা অন্যান্য অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে রুট ক্যানেল করার প্রয়োজন হতে পারে।
রুট ক্যানেল পদ্ধতির মাধ্যমে দাঁতের ভেতরের সংক্রমিত রক্তনালি, স্নায়ু, টিস্যুকে কেটে সরিয়ে ফেলা হয়। তাই রুট ক্যানেল করা দাঁতে দ্বিতীয়বার সংক্রমণের আশঙ্কা ক্ষীণ থাকে।
রুট ক্যানেল পদ্ধতিটি সম্পূর্ণ করতে সাধারণত তিন দিন সময় লাগে। কখনো আরও কম সময়ে হয়ে যায় কিংবা বেশি দিনও লাগতে পারে। দাঁতের স্বাস্থ্যের ওপর নির্ভর করছে সময়টা।
এ পদ্ধতিতে দাঁতের ওপরের অংশ থেকে কেটে দাঁতের ভেতরের সংক্রমিত সব টিস্যু তুলে ফেলা হয়। তারপর ভেতরের অংশ ওষুধের সাহায্যে পরিষ্কার করে আস্তে ধীরে যন্ত্রের সাহায্যে ক্যানেল প্রস্তুত করে নিতে হয়।
এ সময় দাঁতের ক্যানেলে থাকা সব সংক্রমিত টিস্যু বের করে ওষুধ দিয়ে পরিষ্কার করে ফিলিং ম্যাটেরিয়াল দিয়ে পুরো দাঁতের ভেতরের অংশ পূর্ণ করে দিতে হয়।
মুখের কোন অংশের দাঁতে রুট ক্যানাল করা হলো, তার ওপর নির্ভর করে ফিলিং ম্যাটেরিয়াল ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।
রুট ক্যানেল শেষে দাঁত তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও শক্তি হারায়। তাই রুট ক্যানেল শেষে করে নিতে হয় ক্যাপ। দাঁতের ক্যাপ অসংখ্য শেডে পাওয়া যায়। তাই নিজের দাঁতের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে ক্যাপ করে নিলে হারানো সৌন্দর্য যেমন ফিরে আসবে—দাঁতের শক্তিও বাড়বে বহুগুণ।
♣dr.imran's dental solution♣
ঢাকা ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার
হাজি মহসিন রোড, চাঁদপুর।
01911020726♦01741768584

গর্ভবতী মায়ের দাঁতের যত্ন


♦গর্ভাবস্থায় দাঁতের পরিচর্যা♦
 দাঁতের যত্ন ৬ মাস বয়স থেকে সারা জীবনই নিতে হয়। প্রতিদিন সকালে এবং রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই সবার দাঁত ব্রাশ করা উচিত। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ করার কথা ভুললে চলবে না। গর্ভাবস্থায় দাঁতের যত্ন স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি নিতে হবে। কারণ গর্ভাবস্থার দুই মাস পর থেকে মুখ এবং দাঁতের বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়।
 ★অ্যাপথাস আলসারঃ গর্ভাবস্থায় অনেকেরই মুখের অভ্যন্তরে বার বার অ্যাপথাস আলসার হতে দেখা যায়। এই সময় পোভিডন আয়োডিন মাউথওয়াশ ১% সমপরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে দিনে দুই বার কুলি করতে হবে। পাশাপাশি ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং ফলিক এসিডও দেয়া যেতে পারে।
 ★প্রেগন্যান্সি জিনজিভাইটিসঃ গর্ভাবস্থার দুই মাস পরে মাড়ির প্রদাহ দেখা দিতে পারে যা প্রেগন্যান্সি জিনজিভাইটিস নামে পরিচিত। মাড়িতে পাথর থাকলে ডেন্টাল সার্জনের কাছে গিয়ে স্কেলিং করিয়ে নিতে হবে। অন্যথায় ব্যাকটেরিয়া বংশ বৃদ্ধি করে গর্ভবর্তী মায়ের ক্ষতি করতে পারে। তাই সবচেয়ে ভাল হয় গর্ভাবস্থায় পুরো সময় একজন ডেন্টাল সার্জনের তত্ত্বাবধানে থাকা।
 ★পায়োজেনিক গ্রানুলোমাঃ গর্ভাবস্থায় অনেক সময় মাড়িতে এক ধরনের টিউমার দেখা যায় যা পায়োজেনিক গ্রানুলোমা নামে পরিচিতি। তবে অনেকে এ টিউমারকে প্রেগন্যান্সি ইপুলিস বলে থাকেন। গর্ভাবস্থা শেষ হলে এ টিউমার আপনা আপনিই ভাল হয়ে যায়। তবে কোন জটিলতা দেখা দিলে বা কোন সমস্যা অনুভব করলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সাথে সাথে চিকিত্সা নেয়া উচিত।
 ★গর্ভাবস্থায় দাঁতের চিকিৎসার সময়ঃ গর্ভাবস্থায় দাঁতের চিকিত্সার সবচেয়ে উত্তম সময় হল গর্ভাবস্থার তিন মাস থেকে ছয় মাস সময়। এ সময় ওষুধ সেবনও তুলনামূলকভাবে নিরাপদ। তবে জরুরী চিকিৎসা যেকোন সময়ই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী করতে হবে।
 ★গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস এবং শেষ মাষঃ এ সময়ে ডায়াজিপাম বা মিডাজোলাম জাতীয় ঘুমের ওষুধ একেবারেই দেয়া উচিত্ নয় বাধ্যতামূলক না হলে। এ সময় জেনারেল এনেসথেশিয়া বা সম্পূর্ণ অজ্ঞান করে কোন অপারেশন না করাই ভাল।
 ★গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস এবং শেষ তিন মাসঃ এ সময় মেট্রোনিডাজল জাতীয় ওষুধ খাওয়া নিষেধ। এতে গর্ভবতী মায়ের ক্ষতি হয়। টেট্রাসাইক্লিন জাতীয় এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা কোনভাবেই উচিত নয়।
 ★গর্ভাবস্থার সময় যেসব এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যাবে না, সেগুলো হলোঃ
 ১. টেট্রাসাইক্লিন, ২. কো-ট্রাইমোক্সাজল, ৩. মেট্রোনিডাজল, ৪. রিফ্যামপিছিন, ৫. ফ্লুকোনাজল, ৬. সালফোনেমাইডস, ৭. অ্যামাইনো গ্লাইকোসাইডস।
 গর্ভাবস্থায় যেসব এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যাবেঃ
 ১. পেনিসিলিন, ২. সেফালসপরিন, ৩. ইরাইথ্রোমাইসিন।
 পেনিসিলিন জাতীয় এন্টিবায়োটিকের মধ্যে অ্যামোক্সিসিলিন সবচেয়ে নিরাপদ। পেনিসিলিনে যাদের সংবেদনশীলতা রয়েছে তারা এন্টিবায়োটিক হিসাবে ইরাইথ্রোমাইসিন ব্যবহার করবেন।
 গর্ভাবস্থায় ব্যথানাশক ওষুধ যা ব্যবহার করা যাবে নাঃ
 ১. এসপিরিন, ২. NSAID জাতীয় ব্যথানাশক ওষুধ,  ৩. মেফিনামিক এসিড।
 ★গর্ভাবস্থায় ব্যথানাশক ওষুধঃ গর্ভাবস্থায় ব্যথানাশক ওষুধ হিসাবে প্যারাসিটামল ব্যবহার করাই সবচেয়ে উত্তম। প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোন ব্যাথানাশক ঔষধ কোনভাবেই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া গর্ভবর্তী মাকে দেয়া উচিত নয়।
 ★ষ্টেরয়েড জাতীয় ওষুধঃ বাধ্যতামূলক না হলে ষ্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা উচিত নয়। পরিশেষে একথা বলাই বাহুল্য যে, গর্ভবতী মা সুস্থ থাকলে আগত সন্তানও সুস্থভাবে জন্ম লাভ করে থাকে। তাই আমাদের সবার উচিত গর্ভবর্তী মায়ের সার্বিক স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখা।
♠dr.imran's dental solution♠
ঢাকা ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার
হাজি মহসিন রোড, চাঁদপুর।
01911020726♦01741768584

দাঁত ব্রাশের সঠিক পদ্ধতি (ভিডিও)

অনেকেই বলেন দাঁত নিয়মিত ব্রাশ করি তারপর ও দাঁতে এত ক্যারিজ হয় কেন? এর একমাত্র কারন সঠিক পদ্ধতিতে ব্রাশ না করা। ব্রাশের সঠিক পদ্ধতি জেনে নিন এই ভিডিও চিত্রেঃ

যারা সুপারি খান তাদের জন্য সতর্কবার্তা


## সুপারি মুখের ক্যানসারের অন্যতম কারন ##

প্রায় এশিয়াজুড়েই পাওয়া যায় সুপারি। কাঁচা কিংবা শুকনো-সব ভাবেই এটি খাওয়া যায়। চাঙ্গা করার ক্ষেত্রে এই সুপারি প্রায় ছয় কাপ কফির সমান কার্যকর। বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠীর প্রায় এক-দশমাংশ এই সুপারি খান। কোথাও এটিকে দেখা হয় ভালোবাসার প্রতীক এবং বদহজম ও বন্ধ্যাত্বের মতো সমস্যার প্রতিকার হিসেবে।

আপনি জানেন কি এই সুপারিই প্রতিবছর হাজার-হাজার মানুষের মৃত্যুরও কারণ? এর কার্যক্ষমতা এতটাই বেশি যে নিকোটিন, অ্যালকোহল এবং ক্যাফেইনের পাশাপাশি একেও মতিবিভ্রমকারী মাদক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

যদিও নারী এবং শিশুসহ অনেকেই এটি ব্যবহার করেন, তবে কর্মক্ষম পুরুষদের মাঝেই সুপারির ব্যবহার বেশি। গাড়ি চালানো, মাছ ধরা কিংবা নির্মাণকাজের মতো কর্মকাণ্ডে দীর্ঘসময় জেগে থাকার জন্য এটি তারা সুপারি চিবান। তবে এই সুপারিতে অভ্যস্তদের উচ্চমাত্রায় মুখের ক্যানসারের আক্রান্তের ঝুঁকি থাকে। এমনকি প্রথমবার সুপারি ব্যবহার করার কয়েক দশক পরেও কারো মুখে ক্যানসার হতে পারে।

 এশিয়ার যে কয়টি এলাকায় সুপারি খুব বেশি জনপ্রিয় তার একটি তাইওয়ান। সেখানে সুপারিকে বলা হয় ‘তাইওয়ানের চুইংগাম’। দেশটির সরকার এখন কয়েক শতকের পুরনো এই অভ্যাসটি কমিয়ে আনা এবং প্রতিবছর হাজার-হাজার জীবন ঝরে পড়া থেকে রক্ষার জন্য জন্য নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। এর ফলে ২০১৩ সালে দেশটিতে সুপারি ব্যবহারকারী পুরুষের সংখ্যা প্রায় অর্ধেক কমেছে।
তাইওয়ানের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের মুখের ক্যানসার বিশেষজ্ঞ হান লিয়াং-জুন বলেন, ‘অর্ধেক মানুষ এখনো জানেই না যে সুপারি মুখের ক্যানসারের অন্যতম কারণ।’

এশিয়ার অনেক অঞ্চলে সুপারি স্থানীয় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি কাঁচা, শুকনা কিংবা পানপাতা দিয়ে মুড়িয়ে খিলি বানিয়ে খাওয়া হয়।। যদিও পানের খিলি বিভিন্ন দেশে বিভিন্নভাবে বানানো হয়। তবে সাধারণতঃ চুন, পানপাতা, এলাচি বা দারচিনির মতো মশলা এবং তামাকের সাথে মিশিয়ে এই খিলি তৈরি করা হয়।

আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা সংস্থা এসব উপাদানের মধ্যে এলাচ এবং দারচিনি ছাড়া বাকি সব উপাদানকে ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদান হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। চুনকে বিশেষ একটি সমস্যা হিসেবে দেখা হয়, কারণ এটি ব্যবহারের ফলে মুখের ভেতর ছোট-ছোট অনেক ক্ষত তৈরি হতে পারে। ক্যানসার সৃষ্টিকারী অনেক উপাদান এসব ক্ষতের মাধ্যমে চামড়ার ভেতরে প্রবেশ করতে পারে।